জনস্বার্থে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর গোবরিয়া জাব্বাপাড়ায় শাহাবুদ্দিন মেম্বার ও তার মেয়ে কুলসুম বেগমের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে জনধারা নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদন সত্যতা প্রমাণে শতভাগ যাচাই-বাছাই করে করা হয়েছে। কিন্তু ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অপরাধের প্রমাণিত সত্যতার মুখে শাহাবুদ্দিন মেম্বার, তার মেয়ে কুলসুম বেগম ও নাতি শাহাদাত হোসেন গংরা কোনো কিছুই করতে না পেরে এখন মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার শুরু করেছে।
তারা মিথ্যা দাবি করছে, জনধারার একজন রিপোর্টার শাহাবুদ্দিন মেম্বারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিল এবং টাকা না দেওয়ায় তারা এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারা আরও বলছে, টাকা না দেওয়া পর্যন্ত এই ধরনের নিউজ তারা করতেই থাকবে এবং তারা এই সাংবাদিকদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছে। অথচ জনধারা নিউজ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলতে পারে, তাদের কোনো সাংবাদিক এই ধরনের কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। বরং তাদের প্রকাশিত প্রতিটি প্রতিবেদন শতভাগ তথ্য-প্রমাণভিত্তিক, যা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে।
জনধারা নিউজের প্রকাশিত প্রতিবেদনে যে সকল অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে তা নিম্নরূপ:
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানায় শাকিল হত্যা মামলার নম্বর ৩১৫২২-এ স্পষ্টত বাদল ও হারুন শাকিল হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এছাড়া শাকিলের মায়ের ওপর হামলার ঘটনার জবানবন্দি প্রমাণ করে তারা শাকিলের মাকেও হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে, যা জনধারা নিউজের ভিডিও প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়া তারা সরকারি রাস্তা দখল করে বসতভিটা তৈরি করেছে, যা স্পষ্টত একটি অপরাধ। সরকারি সম্পত্তি দখল করে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এবং সর্বশেষ প্রকাশ্যে কুলসুম বেগমের ছেলে শাহাদাত হোসেন গংরা জনধারার ফেসবুক পেইজ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
প্রাণনাশের হুমকি বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত এবং দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৫০৬ ধারা অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই হুমকি প্রমাণ করে তারা কত বড় মাপের অপরাধী।
এখন প্রাণনাশের হুমকি দিয়েও যখন কিছু করতে পারছে না, তখন তারা জনধারা নিউজের নামে মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অপপ্রচারের মাধ্যমে তারা মূল অপরাধ থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা করছে। অথচ তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই যে জনধারার কোনো সাংবাদিক টাকা চেয়েছে। বরং তাদের এই অপপ্রচার প্রমাণ করে তারা সত্যকে আড়াল করতে চায়।
জনধারা নিউজ মনে করে, সাংবাদিকতা পেশা আইনের চোখে সম্মানজনক ও সংবিধান-সুরক্ষিত পেশা। জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা অপবাদ রাষ্ট্রীয় অপরাধ। প্রশাসনের উচিত এই ঘটনা গুরুত্ব সহকারে দেখা এবং হুমকিদাতা ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যদি এই ধরনের অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়, তবে তা ভবিষ্যতে আরও গুরুতর অপরাধের পথ সুগম করবে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
জনধারা নিউজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে। সত্য ও ন্যায়ের পথে এগিয়ে যেতে জনধারা নিউজ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এই অপপ্রচার কোনোভাবেই তাদের সাংবাদিকতার পথকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।