
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত দেওয়ানগঞ্জ কামিল স্নাতকোত্তর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোতালেব হোসেন খানকে রাজনৈতিক প্রভাব ও চাপের মুখে জোরপূর্বক পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হলেও, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে তিনি পূর্ণ মর্যাদায় পুনরায় বহাল হয়েছেন।
গত ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ও চক্র মাদ্রাসার প্রশাসনে অনধিকার প্রবেশ ঘটায়। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. মোতালেব হোসেন খানকে নানা কুহক, হুমকি ও জোরপূর্বক চাপের মুখে পড়তে হয়, যার ফলে তিনি পদ ছাড়তে বাধ্য হন। তবে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পেরে এই পদত্যাগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, কোনো অধ্যক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া অপসারণ করা যায় না এবং প্রজ্ঞাপন বা আইনগত কর্তৃত্ববিহীনভাবে কাউকে সরিয়ে দিয়ে প্রশাসনিক অচলাবস্থা সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়টি এই ঘটনাকে ‘অবৈধ দখল’ আখ্যা দিয়ে অধ্যক্ষ মোতালেব হোসেন খানকে পুনরায় অধ্যক্ষ পদে বহালের নির্দেশ জারি করে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতেও সতর্ক করা হয়।
মাদ্রাসার একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনায় তিনি পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করছেন।
উল্লেখ্য, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর (ফাজিল ও কামিল) পরিচালনাকারী সংস্থা।