
চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা নিজেদের একটি নতুন পরিচয় তৈরি করেছে—‘শেষ মুহূর্তের ম্যাজিশিয়ান’। নকআউট পর্বে একের পর এক ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তনে জয় ছিনিয়ে নেওয়া যেন তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও ৮৫ ও ৯০+২ মিনিটে গোল করে তারা জয় পায়। এর আগে শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে ২-০ পিছিয়ে থেকে মাত্র ১১ মিনিটে ৩ গোলের মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন করে আর্জেন্টিনা।
লিওনেল স্কালোনির কৌশলও ভিন্ন। তিনি ম্যাচের শুরুতে আক্রমণের পরিবর্তে ধীরে ধীরে খেলা জমানো ও প্রতিপক্ষকে দৌড়ানোর সুযোগ দেন। মূল খেলা শুরু হয় শেষ ২০ থেকে ৩০ মিনিটে। চলতি বিশ্বকাপে ৭৯তম মিনিট বা তার পরবর্তী সময়ে আর্জেন্টিনা মোট ১১টি গোল করেছে, যা টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা রেকর্ড। ৩৯ বছর বয়সী মেসি যেন দীর্ঘ সময় মাঠে থাকতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করাই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। ফাইনালে তারা স্পেনের মুখোমুখি হবে।